আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ইসলামী দলের পাশাপাশি অন্যান্য রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেছে দলটি।
নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে তিনি জানান, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনই প্রধান চ্যালেঞ্জ। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে নানা ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হচ্ছে, যা সরকারের রোডম্যাপ বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি করছে।
তিনি আরও বলেন, "নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের প্রয়োজনীয় সংস্কার করে নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা এখন সরকারের প্রধান দায়িত্ব। আমরা সরকারের প্রতি আস্থা রাখি এবং সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।"
অন্যদিকে, ইসলামী দলগুলোর মধ্যে আদর্শগত ভিন্নতা থাকলেও সাধারণ মানুষের চাহিদার ভিত্তিতে ভোটের মাঠে ঐক্যকে কার্যকর করতে জামায়াতসহ অন্যান্য ইসলামী দল আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, "ইসলামী দলগুলোর মধ্যে জোট না হলে ভোটের মাঠে তা ফলপ্রসূ হবে না। সাধারণ মানুষ ইসলামী সংগঠনগুলোকে একত্রে দেখতে চায়, বিশেষত নির্বাচনে। জামায়াতের মতো বড় শক্তি আলাদা থাকলে ঐক্য কার্যকর হবে না।"
বিশ্লেষকরা মনে করেন, ইসলামিক দলগুলোকে একত্রিত করতে পারলে ভোটের মাঠে প্রভাবশালী সমীকরণ তৈরি হতে পারে। তবে আদর্শগত বিভেদ ও পারস্পরিক মতবিরোধ এই প্রচেষ্টায় বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জোট গঠনে জামায়াত ও অন্যান্য ইসলামী দলের এ উদ্যোগ নির্বাচনে কেমন প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলে দেবে।
0 মন্তব্যসমূহ